1. admin@satkhira24tv.com : admin :
বৃহস্পতিবার, ২৫ জুন ২০২৬, ১২:২৫ পূর্বাহ্ন
শিরোনামঃ
ডুমুরিয়ার শাহাপুর বাজার বণিক সমিতির ত্রি-বার্ষিক নির্বাচন আগামী শনিবার: বিপুল ভোটে বিজয়ী হওয়ার দৌড়ে এগিয়ে সভাপতি পদপ্রার্থী একেএম জাব্বার ইকবাল কালিগঞ্জে জাতীয় ফল মেলার উদ্বোধন মোল্লাহাটে নারী শিশু প্রতিবন্ধি নির্যতন প্রতিরোধে জেলা পুলিশের আয়োজনে সচেতন সভা অনুষ্ঠিত। ডুমুরিয়ায় সরকারি রাস্তা দখল করে ভাড়াটিয়া দোকানদারদের পসরা: চরম ভোগান্তিতে চালক ও সাধারণ মানুষ ডুমুরিয়ার টিপনা সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের ছাত্র ছাত্রী জীবনের ঝুঁকি নিয়ে পরিত্যক্ত ভবনে চলছে কোমলমতি শিশুদের পাঠদান: নতুন ভবন তালাবদ্ধ । আমতলীতে গরু চুরি করতে এসে কুকুরের কামড়ে ধরা খেল চোর বোচাগঞ্জে চালকল ব্যবসায়ী মোস্তাফিজুর হ/ত্যা মামলা: সাবেক স্ত্রী শিল্পী আক্তার আদালতে সোপর্দ কালিগঞ্জে জলবায়ু-সহনশীল সবজি ও ফুলের ভ্যালু চেইন শক্তিশালীকরণ প্রকল্পের অবহিতকরণ সভা অনুষ্ঠিত নড়াইলের লোহাগড়ায় স্ত্রীকে হত্যার পর আত্মহত্যার নাটক, স্বামী গ্রেপ্তার টেকনাফে কোস্ট গার্ডের অভিযানে ১০ গ্রেনেড, ২৮ রাউন্ড গুলি ও ২ কেজি গাঁজা উদ্ধার

ডুমুরিয়ায় কোরবানির ঈদ ঘিরে টুং টাং শব্দে মুখর কামারপাড়া

Reporter Name
  • Update Time : সোমবার, ১৮ মে, ২০২৬

ডুমুরিয়ায় কোরবানির ঈদ ঘিরে টুং টাং শব্দে মুখর কামারপাড়া

শেখ মাহতাব হোসেন ডুমুরিয়া খুলনা।
খুলনার ডুমুরিয়াসহ বিভিন্ন এলাকায় কোরবানির ঈদ ঘনিয়ে আসার সাথে সাথে টুং টাং শব্দে মুখর হয়ে উঠেছে কামারপাড়াগুলো। দম ফেলার ফুরসত নেই কারিগরদের। দিন-রাত হাতুড়ি আর লোহার টুং টাং শব্দে এলাকার বাতাস ভারী হয়ে উঠেছে।
পবিত্র ঈদুল আজহার আর মাত্র কিছুদিন বাকি। কোরবানির এই উৎসবকে সামনে রেখে ডুমুরিয়া কামারপাড়াগুলোতে এখন কারিগরদের ব্যস্ততা তুঙ্গে। দিনরাত কয়লার ধোঁয়া, গনগনে লাল লোহা আর হাতুড়ি পেটানোর ‘টুং টাং’ শব্দে মুখরিত হয়ে উঠেছে জেলার কামারশালাগুলো। নাওয়া-খাওয়া ভুলে লোহার টুংটাং শব্দে দম ফেলার ফুরসত নেই কারিগরদের। ডুমুরিয়া উপজেলার বিভিন্ন হাটবাজার ও কামারপট্টি ঘুরে দেখা গেছে উৎসবের এমন আগাম আমেজ। পশু জবাই ও মাংস কাটার প্রধান হাতিয়ার দা, বঁটি, ছুরি ও চাপাতি তৈরিতে ব্যস্ত সময় পার করছেন কামাররা। একদিকে যেমন চলছে নতুন সরঞ্জাম তৈরির কাজ, অন্যদিকে পুরোনো হাতিয়ারে শান দেওয়ারও ধুম পড়েছে। বাজারে যান্ত্রিক সরঞ্জামের বিকল্প এলেও পশুর চামড়া ছাড়ানো এবং মাংস ও হাড় কাটার কাজে কামারদের হাতে তৈরি লোহার সরঞ্জামের কোনো বিকল্প এখনো তৈরি হয়নি। তাই ক্রেতারা পছন্দসই ও টেকসই দা-ছুরি বানিয়ে নিতে ভিড় করছেন কামার দোকানগুলোতে। স্থানীয় কামারদের সঙ্গে কথা বলে জানা যায়, লোহার মান ও ওজনের ওপর ভিত্তি করে ছোট ছুরি তৈরিতে

২০০ থেকে ২৫০ টাকা, বঁটি ৪০০ থেকে ৫০০ টাকা, চাপাতি ৫০০ থেকে ৬০০ টাকা ও পশু জবাইয়ের জন্য বড় ছুরি তৈরির ক্ষেত্রে ১ হাজার থেকে ১ হাজার ২০০ টাকা পর্যন্ত মজুরি নেওয়া হচ্ছে। এছাড়া পুরোনো দা-ছুরিতে শান দিতে নেওয়া হচ্ছে ৫০ থেকে ১৫০ টাকা। বছরের অন্য সময়ে কাজ কম থাকলেও কোরবানির এই সময়টাই তাদের আয়ের মূল মৌসুম। সারা বছর একজন কারিগর দিনে ৪০০ থেকে ৫০০ টাকা আয় করলেও কোরবানির ঈদের আগে দৈনিক আয় দাঁড়ায় প্রায় ২ হাজার থেকে ২ হাজার ৫০০ টাকায়। জেলার বিভিন্ন হাটবাজার ঘুরে দেখা গেছে, স্থায়ী কামারের দোকানের পাশাপাশি বিভিন্ন পশুর হাটের আশপাশেও কামাররা অস্থায়ী দোকান সাজিয়ে বসেছেন।

অনেক জায়গায় বাড়তি কাজের চাপে মৌসুমি কারিগরও নিয়োগ দেওয়া হয়েছে। জেলার বিভিন্ন উপজেলার পশুর হাটগুলোতে ইতোমধ্যে কোরবানির পশু কেনাবেচা শুরু হয়ে গেছে। এর সঙ্গে তাল মিলিয়ে শেষ মুহূর্তের প্রস্তুতি সারতে কামারপাড়ার এই ব্যস্ততা চলবে ঈদের দিন সকাল পর্যন্ত। কাজের চাপ সামাল দিতে তীব্র গরমের মাঝেও মুখে হাসি নিয়ে কামাররা জ্বালিয়ে রেখেছেন নেহাইয়ের আগুন কারণ, এই একটি মৌসুমের জন্যই তারা সারা বছর অপেক্ষা করেন। ডুমুরিয়া বাজার এলাকার কারিগর নিরাপদ কর্মকার (৪৫) বলেন, ‘আমার দাদা এই কাজ করতেন। দাদার কাছ থেকে শিখে আমার আব্বা এই কাজ করেছেন, এখন আমি করছি। এই কাজটা করা এত সহজ নয়। লোহা পিটিয়ে দা-ছুরি বানানো শিখতে অনেক সাধনা করতে হয়। সারা বছর আমাদের তেমন কোনো কাজ থাকে না। যা আয় হয়, তা দিয়ে কোনোমতে সংসার চলে। কিন্তু বছরের এই সময়ে আমাদের কাজের চাপ বেড়ে যায়। আয়ও ভালোই হয়। কোরবানির ঈদের সময় যে টাকা আয় হয়, সেই টাকাটা দিয়ে সংসারের বড় কিছু করতে পারি। যেমন গরু কিনি, জমি রাখি।’

পাচপোতা এলাকার এক কারিগর বলেন, ‘কয়লার দাম বাড়ায় এবার খরচ একটু বেশি। এরপরও আমরা দিনরাত পরিশ্রম করছি, যাতে ঈদের আগেই ক্রেতাদের অর্ডার বুঝিয়ে দিতে পারি। বর্তমানে আমাদের দম ফেলার সময় নেই। বছরের এই সময়টা আমার ভালোই লাগে। সারা বছর আমি কাজ পাওয়ার জন্য বসে থাকি। কিন্তু ঈদের আগে মানুষ আমার এখানে এসে বসে থাকে। বড় বড় অফিসারেরা যেমন বলেন ১ দিন পরে আসেন, তেমন আমিও বলি এখন সময় নেই, পরে আসেন। মহিতোষ (৪০) নামের এক মৌসুমি কারিগর বলেন, ‘আমি আমার বাবার কাছে এই কাজটা শিখেছি। আমার নিজের কোনো দোকান নেই।

Please Share This Post in Your Social Media

আরো খবর দেখুন
© All rights reserved © 2024 Zahidit News
ডিজাইন ও কারিগরি সহযোগিতায়: BDiT