ধর্ষণ মুক্ত বাংলাদেশ গড়তে দলমত নির্বিশেষে ৭১ এবং ২৪ এর মত আরেকবার গর্জে উঠো বীর বাঙালী
মোঃ শিমুল হোসেন রিপোর্টার ভেড়ামারা (কুষ্টিয়া )
চারিদিকে শুধু ধর্ষণ আর ধর্ষণের সংবাদ। ঘরে বাহিরে শিশু থেকে বৃদ্ধ পর্যন্ত কোথাও নারীরা আজ নিরাপদ নয়। ধর্ষকদের এখনই রুখতে না পারলে পরিস্থিতি আরো ভয়াবহ হবে বলে আমাদের বিশ্বাস।
ধর্ষকদের প্রতিহত করতে শুধু ঘৃণা নয়, কঠোর শাস্তির পদক্ষেপ গ্রহণ করতে হবে। আসুন ধর্ষণ প্রতিরোধে দলমত নির্বিশেষে আমরা গড়ে তুলি গণ প্রতিরোধ। আর যেন কোন মা বোনকে ধর্ষিতা হতে না হয়। জাগো বাঙালি জাগো, ধর্ষণ মুক্ত বাংলাদেশ গড়তে ৭১ এবং ২৪ এর মত আরেকবার গর্জে উঠো বীর বাঙালী।
জাগো তরুণ প্রজন্ম জাগো, ২৪ এর মত জাগো তরুণ প্রজন্ম। ধর্ষকদের কঠিন শাস্তির বিধান করা হোক যা দেখে মনে ভুলেও কেউ যেন ধর্ষণ করার কথা স্বপ্নেও না ভাবে।
তা না হলে হয়ত আবার জন্ম হবে ফুলনদেবীর মত কেউ? না জাগলে শত শত ফুলন দেবীর জন্ম হবে। আমরা চাই না আর কোন ফুল দেবীর জন্ম হোক।
বীর ফুলনদেবীকে চোখে দেখিনি বাট শুনেছি তার জীবন কাহিনী। হাজার সালাম তোমায় ফুলনদেবী,,।
গণধর্ষণ ও ফুলনদেবী।
চারিদিকে শুধু ধর্ষণ আর ধর্ষণ। আজ মনে হচ্ছে কেন ফুলনদেবীদের জন্ম হয়েছিল? ধর্ষণ মুক্ত বাংলাদেশ চাই নতুবা হয়ত আবার জন্ম হবে ফুলনদেবীর মত কেউ,,,,।
ফুলনদেবী মেয়েটির ওপর ২৩ দিন ধরে গ্রামের মাতব্বররা গণধর্ষণ চালিয়েছিল,,,। উলঙ্গ করে সারা গ্রাম হাঁটিয়েছিল তাকে। কিন্তু সে দমেনি।
তারপর জেলের মধ্যে পুলিশও ধর্ষণ করেছিল, তাও মেয়েটি দমেনি।
তারপর মেয়েটি নির্যাতিত হওয়ার ১৭মাস পর, ১৯৮১ সনের ১৪ ফেব্রয়ারী তারিখে এক রাতে ভারতের উত্তর প্রদেশের “বেহমাই” গ্রামে সেই ২২ জন ধর্ষক মাতব্বরকে নিজের হাতে খুন করে প্রতিশোধ নিয়েছিলো।
মেয়েটির বিদ্রোহ ছিল সমগ্র ধর্ষকদের বিরুদ্ধে কামানের গর্জনের মতো। সেই সময়ে উত্তর প্রদেশের শহরগুলিতে দূর্গাদেবীর বেশে অগ্নি রূপী মেয়েটির মূর্তি বিক্রয় হয়েছিল।
মেয়েটি, ফুলনদেবী।
এই সেই দস্যু রানী ফুলনদেবী?
ধর্ষকদের প্রতিহত করতে শুধু ঘৃণা গণধর্ষণ ও ফুলনদেবী।
মেয়েটির ওপর ২৩ দিন ধরে গ্রামের মাতব্বররা গণধর্ষণ চালিয়েছিল, কিন্তু সে দমেনি।
উলঙ্গ করে সারা গ্রাম হাঁটিয়েছিল।
তারপর জেলের মধ্যে পুলিশও ধর্ষণ করেছিল, তাও মেয়েটি দমেনি।
তারপর মেয়েটি নির্যাতিত হওয়ার ১৭মাস পর, ১৯৮১ সনের ১৪ ফেব্রয়ারী তারিখে এক রাতে ভারতের উত্তর প্রদেশের “বেহমাই” গ্রামে সেই ২২ জন ধর্ষক মাতব্বরকে নিজের হাতে খুন করে প্রতিশোধ নিয়েছিলো।
মেয়েটির বিদ্রোহ ছিল সমগ্র ধর্ষকদের বিরুদ্ধে কামানের গর্জনের মতো। সেই সময়ে উত্তর প্রদেশের শহরগুলিতে দূর্গাদেবীর বেশে অগ্নি রূপী মেয়েটির মূর্তি বিক্রয় হয়েছিল।
মেয়েটি, ফুলনদেবী।
এই সেই দস্যু রানী ফুলনদেবী।
ধর্ষকদের প্রতিহত করতে শুধু ঘৃণা নয়, আসুন ২৪ এর মত তরুণ প্রজন্ম মিলে আমরা গড়ে তুলব প্রতিরোধ। দলমত নির্বিশেষে ধর্ষকদের বিরুদ্ধে আসুন আমরা স্ব স্ব জায়গা থেকে সোচ্চার হয়ে গণ প্রতিরোধ গড়ে তুলি। আর যেন কোন মা বোনকে ধর্ষিতা হতে না হয়। জাগো বাঙালি জাগো, ধর্ষণ মুক্ত বাংলাদেশ গড়তে ৭১ এর মত আরেকবার গর্জে উঠো বীর বাঙালী। ২৪ এর মত জাগো হে তরুণ প্রজন্ম,,।
দলমত নির্বিশেষে ঐক্যবদ্ধ হয়ে ধর্ষকদের রুখতে তীব্র সোচ্চার হওয়ার আহবান জানাচ্ছি।
আমরা তোমায় দেখিনি ফুলনদেবী। হাজার সালাম জানাই তোমায়।