1. admin@satkhira24tv.com : admin :
শুক্রবার, ০১ মে ২০২৬, ০৩:৩১ অপরাহ্ন
শিরোনামঃ
কালিগঞ্জে সাংবাদিক ফজলুল হকের বাড়িতে জলাবদ্ধতা: পানি নিষ্কাশনের পথ বন্ধের অভিযোগ মোল্লাহাটে আইনশৃঙ্খলা কমিটির সভা অনুষ্ঠিত প্রেসক্লাবের নবনির্বাচিতদের ডুমুরিয়া প্রেসক্লাবের অভিনন্দন ডুমুরিয়ায় তলিয়ে যাচ্ছে পাকা ধান, শ্রমিক সংকটে দিশেহারা কৃষকরা খুলনা প্রেসক্লাবের সভাপতি মোস্তফা সরোয়ার-সম্পাদক তরিকুল ইসলাম বীরগঞ্জে মাদক সেবনের অপরাধে ৪ জনের কারাদণ্ড, জেলহাজতে প্রেরন। কালীগঞ্জে পুলিশি অভিযানে আদম ব্যবসায়ী প্রতারক করিম আটক জাতীয় ক্রাইম সাংবাদিক সংস্থার কেন্দ্রীয় সাধারণ সম্পাদক নির্বাচিত হলেন শেখ শাহীন নড়াইলের কালিয়ায় ক্লাস চলাকালে শ্রেণিকক্ষের ওপরে ভেঙে পড়ল গাছ, আহত ২ কালীগঞ্জে এলজিইডির ঘুষের ভিডিও নিয়ে তোলপাড়, হিসাব রক্ষক মোস্তাফিজ বরখাস্ত

টেকনাফে মিথ্যা মামলা দিয়ে নিরীহ নুর বসরকে ফাঁসানোর অভিযোগে ক্ষুব্ধ পরিবার ও এলাকাবাসী

Reporter Name
  • Update Time : সোমবার, ২৬ জানুয়ারী, ২০২৬

টেকনাফে মিথ্যা মামলা দিয়ে নিরীহ নুর বসরকে ফাঁসানোর অভিযোগে ক্ষুব্ধ পরিবার ও এলাকাবাসী

ভ্রাম্যমান প্রতিনিধি কক্সবাজার :
কক্সবাজারের টেকনাফ পৌরসভায় উদ্দেশ্যপ্রণোদিত মিথ্যা ও সাজানো মামলার মাধ্যমে এক নিরীহ যুবককে হয়রানির অভিযোগ উঠেছে রোহিঙ্গা নারী ফেরদৌস আক্তারের বিরুদ্ধে। অভিযোগকারীদের ভাষ্য অনুযায়ী, ব্যক্তিগত স্বার্থের জের ধরে নুর বসরকে পরিকল্পিতভাবে মামলায় জড়িয়ে তার জীবন ধ্বংসের অপচেষ্টা চালানো হয়েছে।
মামলা সূত্রে জানা যায়, নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইবুনাল নং- ৩ কক্সবাজার জেলা জজ আদালতে মামলাটি দায়ের করে।

ভুক্তভোগী পরিবারের অভিযোগ, কোনো ধরনের অপরাধে জড়িত না থাকা সত্ত্বেও নুর বসরের বিরুদ্ধে দায়ের করা মামলাটি সম্পূর্ণ ভিত্তিহীন ও উদ্দেশ্যপ্রণোদিত। এর ফলে নুর বসরের ব্যক্তিগত স্বাধীনতা, সামাজিক মর্যাদা এবং মৌলিক মানবাধিকার চরমভাবে লঙ্ঘিত হচ্ছে। পরিবারটি বলছে, এটি কেবল একজন ব্যক্তিকে হয়রানি নয়—এটি বিচারব্যবস্থাকে প্রশ্নবিদ্ধ করার ভয়ংকর দৃষ্টান্ত।

ভুক্তভোগী নূর বসর জানান, আমাকে উদ্দেশ্যপ্রণোদিত ভাবে মিথ্যা সাজানো মামলায় ফাঁসিয়ে দিয়ে হয়রানি ও মানহানি করছে। উক্ত মহিলার বিরুদ্ধে এর আগেও টেকনাফ সদর ইউপির নতুন পল্লান পাড়া এলাকার এক বৃদ্ধ মুরব্বি ও যুবদলের নেতাকে মিথ্যা মামলায় ফাঁসানোর অভিযোগ রয়েছে।
নতুন পল্লান পাড়া এলাকায় বিভিন্ন মানুষকে ৬ টির অধিক মিথ্যা সাজানো মামলা দিয়েছে এবং বিভিন্নভাবে হয়রানি করে যাচ্ছে। সে মহিলাটি আসলে একজন রোহিঙ্গা ও মামলাবাজ। সে বর্তমানে কে কে পাড়ায় ভাড়া বাসায় থাকে। তার এমন নির্যাতনে সাধারণ মানুষ অতিষ্ঠ হয়ে গেছে।

আইনজ্ঞদের মতে, মিথ্যা মামলা দায়ের দণ্ডবিধি অনুযায়ী শাস্তিযোগ্য অপরাধ। ইচ্ছাকৃতভাবে নিরীহ ব্যক্তিকে ফাঁসানো ন্যায়বিচারের পরিপন্থী এবং আইনের শাসনের ওপর সরাসরি আঘাত। সংবিধানে নিশ্চিত করা নাগরিকের ন্যায়বিচার পাওয়ার অধিকার এ ধরনের মামলাবাজির মাধ্যমে পদদলিত হচ্ছে।

স্থানীয়দের অভিযোগ, ফেরদৌস আক্তারের বিরুদ্ধে পূর্বেও হয়রানিমূলক মামলার অভিযোগ শোনা গেছে। এলাকাবাসীর দাবি, কিছু স্বার্থান্বেষী মহল মিথ্যা মামলা দিয়ে সাধারণ মানুষকে জিম্মি করে ভয়ভীতি প্রদর্শনের একটি বিপজ্জনক সংস্কৃতি গড়ে তুলছে, যা সমাজে চরম অস্থিরতা সৃষ্টি করছে।

নুর বসরের পরিবার প্রশাসনের কাছে দাবি জানিয়েছে—অবিলম্বে নিরপেক্ষ তদন্ত করে প্রকৃত সত্য উদঘাটন করতে হবে এবং মিথ্যা অভিযোগকারীর বিরুদ্ধে দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি নিশ্চিত করতে হবে। অন্যথায়, সাধারণ মানুষের আইনের ওপর আস্থা সম্পূর্ণভাবে ভেঙে পড়বে বলে তারা আশঙ্কা প্রকাশ করেছে।

এ বিষয়ে অভিযুক্ত ফেরদৌস আক্তারের বক্তব্য জানার চেষ্টা করা হলে তিনি প্রতিবেদককে কিসের সাংবাদিক এ বিষয়ে তোমার মাথা বক্তব্য নেওয়ার দরকার নেই বলে জানান ।
উক্ত মিথ্যা সাজানো মামলার একজন সাক্ষী শাহানু জানান, আমি ঐ মহিলাকে চিনিও না সে কিভাবে আমাকে মিথ্যা একটি মামলায় সাক্ষী করেছে। আমি জানিনা এসব বিষয়। আমি নুর বসরের বিরুদ্ধে করা মিথ্যা মামলা প্রত্যাহার চাই।

আরেক সাক্ষী কহিনুর জানান, ফেরদৌস আক্তার নামের মহিলাকে আমি চিনিনা নুর বসরকে দেয়া মিথ্যা সাজানো মামলায় আমাকে সাক্ষী হিসেবে দেখানো হয়েছে।
সে মামলাটি মিথ্যা সাজানো।

মানবাধিকারকর্মীরা বলছেন, মিথ্যা মামলার অপব্যবহার বন্ধ না হলে নিরীহ মানুষ ক্রমেই হয়রানির শিকার হবে এবং সমাজে ন্যায়বিচারের পরিবর্তে ভয় ও অনিশ্চয়তা প্রাধান্য পাবে—যা কোনো সভ্য রাষ্ট্রের জন্য অশনিসংকেত।

Please Share This Post in Your Social Media

আরো খবর দেখুন
© All rights reserved © 2024 Zahidit News
ডিজাইন ও কারিগরি সহযোগিতায়: BDiT