1. admin@satkhira24tv.com : admin :
শনিবার, ২৫ এপ্রিল ২০২৬, ০৮:০৮ অপরাহ্ন
শিরোনামঃ
আমতলীতে বিদ্যুৎ ও জ্বালানি সংকটে বন্ধ সেচ—চরম বিপাকে কৃষক রাজশাহীতে তীব্র খরায় নষ্ট হচ্ছে লিচু টেকনাফে বিদেশি পিস্তলসহ কুখ্যাত মানবপাচারকারী আটক ওয়ারিশ গোপন করে জমি বিক্রি: প্রতারনার অভিযোগ কালীগঞ্জের আকমল, সবুর গংয়ের বিরুদ্ধে রাজশাহীতে কাটা হল ৩০ কাঠবাদাম গাছ ডুমুরিয়ায় ধানের দামের চেয়ে শ্রমিকের মজুরির মূল্যে বেশি বীরগঞ্জে প্রাথমিক বিদ্যালয় গোল্ডকাপ ফুটবল টুর্নামেন্ট উদ্বোধন নড়াইলে কম দামে চাঁদপুরের ইলিশের প্রলোভন দেখিয়ে অনলাইনে প্রতারণা, গ্রেফতার ৪ কালীগঞ্জে উঠান বৈঠকের আড়ালে মানবিক দৃষ্টান্ত, অসহায় নারীর হাতে হুইলচেয়ার কালিগঞ্জের ডিআরএম কলেজের অধ্যক্ষ আবুল বাশার বরখাস্ত

ডুমুরিয়ায় ধানের দামের চেয়ে শ্রমিকের মজুরির মূল্যে বেশি

Reporter Name
  • Update Time : শুক্রবার, ২৪ এপ্রিল, ২০২৬

ডুমুরিয়ায় ধানের দামের চেয়ে শ্রমিকের মজুরির মূল্যে বেশি।
শেখ মাহতাব হোসেন ডুমুরিয়া খুলনা।
খুলনা‌ ২৪এপ্রিল শুক্রবার ডুমুরিয়াসহ বর্তমান সময়ের কৃষকদের একটি বড় কষ্টের প্রতিফলন। বর্তমান বাজারে ধানের দাম আর শ্রমিকের মজুরির মধ্যে যে অসামঞ্জস্য তৈরি হয়েছে, তা কৃষিকে এক কঠিন চ্যালেঞ্জের মুখে ঠেলে দিয়েছে।
২০২৬ সালের বর্তমান পরিস্থিতি বিশ্লেষণ করলে আপনার কথার সত্যতা পাওয়া যায়।
মজুরি বনাম ধানের দাম: ডুমুরিয়াসহ দেশের বিভিন্ন অঞ্চলে দেখা যাচ্ছে, এক মণ (৪০ কেজি) কাঁচা ধান বিক্রি হচ্ছে মাত্র ৭০০ থেকে ৮০০ টাকায়। অথচ একজন শ্রমিকের একদিনের মজুরি দিতে হচ্ছে ৯০০ থেকে ১০০০ টাকা। অর্থাৎ, সারাদিন কাজ করার জন্য একজন শ্রমিককে যে টাকা দিতে হয়, তা এক মণ ধান বিক্রি করেও জোগাড় করা সম্ভব হচ্ছে না।
উৎপাদন খরচ: ডিজেল, সার এবং বীজের দাম বাড়ায় বর্তমানে এক মণ বোরো ধান উৎপাদনে কৃষকের খরচ পড়ছে প্রায় ১২০০ টাকার বেশি। সেই তুলনায় বাজারের বর্তমান দাম উৎপাদন খরচের চেয়েও অনেক কম, যা কৃষকদের বড় ধরনের লোকসানের মুখে ফেলছে।
সরকারি সংগ্রহ মূল্য: সরকার প্রতি কেজি ধানের সংগ্রহ মূল্য ৩৬ টাকা (মণ প্রতি ১৪৪০ টাকা) নির্ধারণ করেছে। কিন্তু এই সরকারি সংগ্রহ অভিযান শুরু হতে কিছুটা দেরি হওয়ায় (মে মাসের শুরু থেকে) প্রান্তিক কৃষকরা বাধ্য হয়ে কম দামে ফড়িয়া বা চাতাল মালিকদের কাছে ধান বিক্রি করে দিচ্ছেন।
মজুত করার সক্ষমতা: সম্ভব হলে ধান কাটার পরপরই সবটুকু বিক্রি না করে কিছু দিন ঘরে ধরে রাখা। সাধারণত মৌসুম শেষ হওয়ার ১-২ মাস পর ধানের দাম বাড়তে শুরু করে।
সমবায় ভিত্তিক বিপণন: কয়েকজন কৃষক মিলে দলগতভাবে সরাসরি বড় রাইস মিলে ধান সরবরাহ করলে ছোট ব্যবসায়ীদের তুলনায় ভালো দাম পাওয়া সম্ভব।
কৃষি কর্মকর্তাদের মতে, সরকার যদি সরাসরি প্রান্তিক কৃষকের কাছ থেকে ধান কেনার পরিমাণ বাড়ায় এবং আধুনিক লজিস্টিক সাপোর্ট (যেমন: শস্য গুদাম) বৃদ্ধি করে, তবে এই সমস্যার দীর্ঘমেয়াদী সমাধান সম্ভব।
ডুমুরিয়া উপজেলা কৃষি অফিসার কৃষিবিদ মোঃ নাজমুল হুদা জানান, প্রকৃত কৃষকদের কাছ থেকে ন্যায্যমূল্যে ধান সংগ্রহের লক্ষ্যে ইতোমধ্যে তালিকা প্রস্তুত করা হয়েছে। আগ্রহী কৃষকরা চাইলে তালিকায় অন্তর্ভুক্ত হয়ে ধান বিক্রয় করতে পারবেন।

Please Share This Post in Your Social Media

আরো খবর দেখুন
© All rights reserved © 2024 Zahidit News
ডিজাইন ও কারিগরি সহযোগিতায়: BDiT