গণঅভ্যুত্থানের পর চাঁদাবাজি-স্টেশন দখল ঠেকাতে পাহারায় ছিলাম: পীর সাহেব চরমোনাই
আমতলীর জনসভায় ইসলামী পতাকার বিজয়ের আশাবাদ; দুই প্রার্থীর হাতে প্রতীক তুলে দিলেন আমীর
আমতলী (বরগুনা) প্রতিনিধি:
পাঁচই আগস্টের গণঅভ্যুত্থানের পর একশ্রেণি স্টেশন দখল ও চাঁদাবাজিতে নামলেও তখন সংখ্যালঘু সম্প্রদায়ের উপাসনালয়সহ সকলের জানমাল রক্ষায় পাহারাদার হিসেবে কাজ করা হয়েছে বলে জানিয়েছেন ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের আমীর মুফতি সৈয়দ মুহাম্মদ রেজাউল করিম (পীর সাহেব চরমোনাই)।
শুক্রবার দুপুর সোয়া ১২টার দিকে বরগুনার আমতলী উপজেলার পৌরসভা চত্বরে আয়োজিত এক নির্বাচনী জনসভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন। তিনি আরও বলেন, “বরিশাল বিভাগের মধ্যে বরগুনা-১ আসনে আমরা নিশ্চিত বিজয় অর্জন করব, ইনশাআল্লাহ। কেউ ভোট কাটতে এলে তা প্রতিহত করা হবে।”
পীর সাহেব চরমোনাই বলেন, কেন্দ্র ও স্থানীয় সাংবাদিক এবং ভোটারদের কাছ থেকে যে সাড়া পাওয়া যাচ্ছে, তাতে এ সাগরপাড় থেকেই ইসলামী পতাকার বিজয় শুরু হবে বলে তিনি আশাবাদী। তিনি অভিযোগ করেন, অনেক দল ক্ষমতায় যাওয়ার আগে ‘সোনার বাংলা’ বা ‘ডিজিটাল বাংলা’ গড়ার নানা প্রতিশ্রুতি দেয়। তবে তাদের দল সরকার গঠন করতে পারলে মানুষের মুখে হাসি ফোটাতে কাজ করবে বলে প্রতিশ্রুতি দেন।
বরগুনা-১ আসনের হাতপাখা প্রতীকের প্রার্থী ও বরগুনা জেলা ইসলামী আন্দোলনের সভাপতি মাওলানা মো. মাহমুদুল হাসান ওয়ালিউল্লাহর সভাপতিত্বে সভায় বিশেষ অতিথি হিসেবে বক্তব্য দেন ইসলামী আন্দোলনের কেন্দ্রীয় কমিটির প্রেসিডিয়াম সদস্য অধ্যাপক আশরাফ আলী আকন ও অধ্যাপক মাহবুবুর রহমান, কেন্দ্রীয় সহ-প্রচার ও দাওয়া সম্পাদক কেএম শরিয়তুল্লাহ, বরগুনা-২ আসনের হাতপাখা প্রতীকের প্রার্থী মুফতি মিজানুর রহমান কাশেমী, জেলা সেক্রেটারি মাওলানা আব্দুস শাকুর, মুফতি হাবিবুর রহমান মেজবাহ, সাংবাদিক আলহাজ মো. মোশারফ হোসেন, আমতলী উপজেলা শাখার সভাপতি মুফতি মাওলানা মো. ওমর ফারুক জিহাদী এবং উপজেলা সেক্রেটারি গাজী মো. বায়েজিদসহ অনেকে।
সভায় আনুষ্ঠানিকভাবে বরগুনা-১ ও বরগুনা-২ আসনের দুই প্রার্থীর হাতে দলীয় প্রতীক ‘হাতপাখা’ তুলে দেন ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের আমীর পীর সাহেব চরমোনাই মুফতি সৈয়দ মুহাম্মদ রেজাউল করিম।