কালিগঞ্জে বসতবাড়ি দখলচেষ্টার অভিযোগ, মারধর ও প্রাণনাশের হুমকি
শিমুল হোসেন কালিগঞ্জ সাতক্ষীরা ব্যুরো।
সাতক্ষীরার কালিগঞ্জ উপজেলার শ্রীকলা এলাকায় বসতবাড়ি দখলচেষ্টাকে কেন্দ্র করে উত্তেজনা বিরাজ করছে। এ ঘটনায় প্রতিপক্ষের বিরুদ্ধে মারধর, ভয়ভীতি প্রদর্শন ও প্রাণনাশের হুমকির অভিযোগ এনে থানায় লিখিত অভিযোগ দায়ের করেছেন এক কলেজ প্রভাষক।অভিযোগ সূত্রে জানা যায়, পিতা-মোঃ আব্দুস সাত্তার এর পুত্র মোঃ আব্দুস সবুর (৪০) সহ অজ্ঞাতনামা আরও ১৫/২০ জনের বিরুদ্ধে এই অভিযোগ আনেন জান্নাতুল বুশরা (৩৪)।তিনি পিরোজপুর জেলার নাজিরপুর থানাধীন ঘোষকাটি কলেজের প্রভাষক এবং সাতক্ষীরার কালিগঞ্জ উপজেলার শ্রীকলা গ্রামের বাসিন্দা। অভিযোগে উল্লেখ করা হয়, শ্রীকলা মৌজার জে.এল নং-১৭৮, খতিয়ান নং-২৫-৮৭৮ এবং দাগ নং-১১৬৬, ১১৬৭, ১১৭৯ ও ১১৮০ এর মোট ০.০৮৭৪০০ একর জমি তার রেকর্ডীয় মালিকানাধীন সম্পত্তি। উক্ত জমির ওপর তার দুইতলা বিশিষ্ট বসতবাড়ি রয়েছে, যেখানে বর্তমানে তার মা মোছাঃ রেহানা পারভীন ও ছোট বোন মাকসুরা পারভীন বসবাস করছেন।
ভুক্তভোগীর অভিযোগ, দীর্ঘদিন ধরে বিবাদীরা উক্ত সম্পত্তি জবরদখলের পাঁয়তারা করে আসছে এবং বিভিন্নভাবে ভয়ভীতি ও হুমকি প্রদান করছে। গত ৩ এপ্রিল ২০২৬ তারিখ দুপুর আনুমানিক ২টা ৪৫ মিনিটে অভিযুক্তরা দলবদ্ধভাবে বসতবাড়িতে প্রবেশ করে তার মা ও বোনকে অশ্লীল ভাষায় গালিগালাজ করে। এ সময় তাদের বাধা দিলে অভিযুক্তরা মারধরের চেষ্টা করে এবং বাড়ি দখল করে নেওয়ার হুমকি দেয়। এমনকি বাধা দিলে স্বপরিবারে হত্যা করারও হুমকি প্রদান করা হয় বলে অভিযোগে উল্লেখ করা হয়েছে।এছাড়া অভিযুক্তরা বসতঘর থেকে গৃহস্থালির বিভিন্ন সামগ্রী বের করে দিয়ে নিজেদের মালামাল সেখানে নেওয়ার চেষ্টা করছে বলেও অভিযোগে দাবি করা হয়েছে। এ ঘটনায় স্থানীয় বাসিন্দারাও অবগত রয়েছেন বলে জানানো হয়েছে।ভুক্তভোগী জানান, বর্তমানে অভিযুক্তদের জবরদখলমূলক কর্মকাণ্ড অব্যাহত রয়েছে। পুনরায় বাধা দিলে মারধর, খুন-জখমসহ গুরুতর শান্তিভঙ্গের আশঙ্কা রয়েছে।এ বিষয়ে অভিযুক্তদের সঙ্গে যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও তাদের মোবাইল ফোন বন্ধ থাকায় কোনো বক্তব্য পাওয়া যায়নি।ভুক্তভোগী জান্নাতুল বুশরা বলেন, “আমার বৈধ সম্পত্তি জোরপূর্বক দখল করার চেষ্টা চলছে। আমার মা ও বোনকে মারধর ও প্রাণনাশের হুমকি দেওয়া হয়েছে। আমি প্রশাসনের কাছে সুষ্ঠু তদন্ত ও দোষীদের বিরুদ্ধে দ্রুত আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণের দাবি জানাচ্ছি।তিনি আরও বলেন, “আমরা চরম নিরাপত্তাহীনতায় ভুগছি। যেকোনো সময় বড় ধরনের অনাকাঙ্ক্ষিত ঘটনা ঘটতে পারে।