ক্লুলেস স্বামীহত্যা মামলার মুল খুনি আবুবক্কর, অন্যতম পরিকল্পনাকারী স্ত্রী পপি ও পরকিয়া প্রেমিক কল্লোল গ্রেফতার.
রনজিৎ সরকার রাজ (দিনাজপুর) প্রতিনিধি. দিনাজপুরের বীরগঞ্জে গত বছর ১৩ ডিসেম্বর চৌপুকুরিয়া গ্রামে হাজী দানিউল ইসলাম নামের এক ব্যক্তি কে তার শয়ন ঘরে গলা কেটে হত্যা করে অজ্ঞাতনামা দুর্বৃত্তরা।
ভাড়াটে কুখ্যাত খুনির হাতে নিহত হাজী দানিউল ইসলাম ছিলেন একজন ধনাঢ্য, সম্পদশালী, বিত্তবান, সামাজিক চেতনার ভালো মানুষ।
এলাকায় তার সাথে কাউরো কোন বিরোধ ছিল না, এক কথায় শান্তি প্রিয় ব্যক্তি হিসেবে বহুল প্রসংশিত।
হাজী দানিউল ও সুলতানা রাজিয়া পপি বিবাহিত জীবনে দীর্ঘ কালের দম্পতি, তাদের রয়েছে বিবাহিত এক মেয়ে ও কলেজ পড়ুয়া এক ছেলে।
আকস্মিক এমন হত্যকান্ডে নির্বাক হতভম্ব দিশেহারা হয়ে যায় বীরগঞ্জবাসী ও পুলিশ প্রশাসন। ক্লুলেস হত্যায় স্থবির জনপদে পরিনত হয় এলাকা, সর্বত্র চলছিলো গুঞ্জন।
চাঞ্চল্যকর হত্যার রহস্য উদঘাটনে মাঠে নামে বীরগঞ্জ থানা ও জেলা পুলিশ।
ব্যপক অভিযান ও তদন্তে বেড়িয়ে আসে লোমহর্ষক কাহিনী।
জেলা শহর দিনাজপুরের বাসিন্দা পপির পরকিয়া প্রেমিক শাহ আলম কল্লোলের সাথে পরিকল্পনা সাজিয়ে পেশাদার খুনিকে ১০ লাখ টাকার বিনিময় ভাড়া করে ঐ হত্যাকান্ড ঘটায় মর্মে গত ১২ তারিখে খুলনায় গ্রেফতার হওয়া বাগের হাটের খুনি মুলহোতা আবুবক্কর বাদশা আদালতে স্বীকার করেছে।
খুনির দেয়া তথ্য মতে বীরগঞ্জ থানা ও জেলা পুলিশের চৌকস দল ১৮ তারিখে পপিকে তার বাবার বাড়ি এবং কল্লোল কে দিনাজপুরের বাসা হতে গ্রেফতার করে জেল হাজতে প্রেরণ করেছে।
মামলার তদন্তকারী পুলিশ অফিসার এস আই জাহাঙ্গীর বাদশা রনি সাথে কথা হলে তিনি অফিসার ইনচার্জ বীরগঞ্জ থানা সাইফুল ইসলামের কৃতজ্ঞতা স্বীকার করেন।
অফিসার ইনচার্জ বীরগঞ্জ থানা মোঃ সাইফুল ইসলামের সাথে কথা হলে তিনি এমন সাফল্যের জন্য জেলা পুলিশ সুপার দিনাজপুর, অতিরিক্ত পুলিশ সুপার এবং অতিরিক্ত পুলিশ সুপার বীরগঞ্জ সার্কেলের প্রতি গভীর কৃতজ্ঞতা জানিয়েছেন।