মাটি ও মানুষের টানে স্বদেশে প্রত্যাবর্তন জন্মভূমির স্পর্শে আবেগাপ্লুত তারেক রহমান
তৌহিদুজ্জামান
Update Time :
বৃহস্পতিবার, ডিসেম্বর ২৫, ২০২৫,
মাটি ও মানুষের টানে স্বদেশে প্রত্যাবর্তন
জন্মভূমির স্পর্শে আবেগাপ্লুত তারেক রহমান
তৌহিদুজ্জামান, আশাশুনি (সাতক্ষীরা):
দীর্ঘ নির্বাসন শেষে জন্মভূমির মাটিতে পা রেখেই আবেগে আপ্লুত হয়ে পড়েন বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান। বহু বছর প্রবাসে অবস্থানের পর তার এই স্বদেশ প্রত্যাবর্তন রাজনৈতিক অঙ্গনে যেমন নতুন আলোচনার জন্ম দিয়েছে, তেমনি সাধারণ মানুষের মাঝেও সৃষ্টি করেছে গভীর আবেগ ও কৌতূহল।
বিমানবন্দরের আনুষ্ঠানিকতা শেষে ফেরার পথে এক পর্যায়ে হঠাৎই সবাইকে থামিয়ে রাস্তার পাশের সবুজ প্রান্তে নেমে পড়েন তিনি। প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, প্রটোকল ও ভিড়ের মাঝেও যেন তিনি খুঁজে ফিরছিলেন শৈশবের সেই চেনা মাটির ঘ্রাণ। জুতো খুলে খালি পায়ে বাংলার মাটিতে দাঁড়িয়ে কিছু সময় নীরবে থাকেন তারেক রহমান।
এ সময় তিনি মাটিতে হাত বুলিয়ে আবেগে মাটি উঠিয়ে নেন। উপস্থিত কর্মী-সমর্থক ও সাধারণ মানুষের অনেকের চোখেই তখন অশ্রু দেখা যায়। কারও মতে, দীর্ঘ বিচ্ছেদের পর জন্মভূমির সঙ্গে এটি ছিল এক নিঃশব্দ আত্মিক সংযোগ—যা ভাষায় প্রকাশ করা কঠিন।
রাজনৈতিক বিশ্লেষকদের মতে, এই ঘটনাটি কেবল একটি আবেগঘন মুহূর্ত নয়; বরং এর মধ্যে রয়েছে একটি গভীর প্রতীকী রাজনৈতিক বার্তা। লন্ডনের আধুনিক নগরজীবন ছেড়ে বাংলাদেশের মাটি ও মানুষের কাছাকাছি থাকার এই প্রকাশ্য অনুভূতি সাধারণ মানুষের সঙ্গে তারেক রহমানের সম্পর্ককে নতুনভাবে সামনে এনেছে।
স্থানীয় এক প্রবীণ নাগরিক বলেন,
“নেতা তো এমনই হওয়া উচিত, যে দেশের মাটির গন্ধ বোঝে। জন্মভূমির টান কখনো মুছে যায় না।”
তারেক রহমানের প্রত্যাবর্তনের মধ্য দিয়ে সেই কথারই যেন বাস্তব প্রতিফলন দেখা গেল।
রাজনৈতিক অঙ্গনে ধারণা করা হচ্ছে, তার এই স্বদেশ প্রত্যাবর্তন দেশের রাজনীতিতে নতুন মাত্রা যোগ করতে পারে। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমেও ঘটনাটি নিয়ে ব্যাপক আলোচনা ও প্রতিক্রিয়া লক্ষ্য করা যাচ্ছে।
সব মিলিয়ে, সময় ও দূরত্বের সব বাধা অতিক্রম করে জন্মভূমির মাটি ও মানুষের ভালোবাসা যে শেষ পর্যন্ত জয়ী হয়—তারেক রহমানের স্বদেশ প্রত্যাবর্তন সেই চিরন্তন সত্যকেই আবারও দৃঢ়ভাবে সামনে এনে দিয়েছে।